বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে অব্যবহারে পরিত্যক্ত আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিকাংশ ঘর

1 সপ্তাহ আগে | আপডেট: 36 মিনিট আগে | সারাদেশ
ঠাকুরগাঁওয়ে অব্যবহারে পরিত্যক্ত আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিকাংশ ঘর

ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৫১টি ঘরের মধ্যে ১২১টিই তালাবদ্ধ। যাতায়াত ও কর্মসংস্থানের অভাবে সুবিধাভোগীরা ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ায় অধিকাংশই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৩ নম্বর আকচা ইউনিয়নের টাঙ্গন নদীর তীরে অবস্থিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৫১টি ঘরের মধ্যে ১২১টিই বর্তমানে তালাবদ্ধ। যাতায়াত সমস্যার কারণে সুবিধাভোগীরা সেখানে বসবাস করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না, ফলে বেশিরভাগ ঘরই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প-২’-এর অধীনে ভূমিহীনদের জন্য এই আবাসন এলাকাটি গড়ে তোলা হয়। প্রতিটি ঘরের সাথে দুই শতক জমি, বিদ্যুৎ ও পানির সুবিধা থাকলেও নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই সুবিধাভোগীরা সেখান থেকে চলে যেতে শুরু করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে মাত্র ৩০টি পরিবার সেখানে অবস্থান করছে। যাতায়াতের জন্য পাঁচ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা, শ্মশানের নিকটবর্তী অবস্থান এবং কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে অনেকেই তাদের পুরনো ঠিকানায় ফিরে গেছেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া কমল পাল জানান, কাজের সুযোগ না থাকা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম অবনতির কারণে তিনি সেখানে থাকতে পারেননি। একইভাবে অনেক সুবিধাভোগীই জানিয়েছেন, জীবিকার তাগিদে তারা ওই এলাকা ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সিমলা রায় জানিয়েছেন, যারা ঘর বরাদ্দ পেয়েও থাকছেন না, তাদের তালিকা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এসব ঘর উদ্ধার করে পুনরায় প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণের প্রক্রিয়া চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ঘরগুলো ফেলে রাখার জন্য নয়, বরং বসবাসের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যারা থাকছেন না, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুনদের সুযোগ দেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।