নোয়াখালীতে যুবদল নেতাকে গুলি, দায় অস্বীকার জামায়াতের
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতা সোহেলকে গুলির ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বিএনপি এই হামলার জন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করলেও দলটি তা অস্বীকার করেছে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে মো. সোহাগ ওরফে সোহেল (৩৫) নামের এক যুবদল নেতাকে গুলির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে। আহত সোহেল ওই এলাকার মাহফুজ মিয়ার ছেলে এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, চার বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত ২০ জুলাই দেশে ফেরেন সোহেল। সম্প্রতি আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নে এক যুবদল কর্মীকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ করায় তার সঙ্গে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের বিরোধ তৈরি হয়। এরই জেরে রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ছেনি আলম, নাছির, জহির ও জাবেদের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সোহেলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে গুলি করে। পরে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব এই হামলার জন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করেছেন। তবে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাস্টার আবু তাহের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে জানিয়েছেন, তাদের কোনো কর্মী এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান জানান, ছররা গুলিতে সোহেল সামান্য আহত হয়েছেন। রাজনৈতিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিএখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।