রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

সীমান্ত উত্তেজনায় ঘুমধুম-তুমব্রুর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ

2 বছর আগে | আপডেট: 1 ঘন্টা আগে | সারাদেশ
সীমান্ত উত্তেজনায় ঘুমধুম-তুমব্রুর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ

মিয়ানমার সীমান্তে চলমান অস্থিরতা ও গোলাগুলির ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রু এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এই সতর্কতা জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ।

মাইকিংয়ে তুমব্রু কোনাপাড়া, মাঝের পাড়া, ভাজাবনিয়াপাড়া, বাজারপাড়া, চাকমা হেডম্যানপাড়া, পশ্চিম কুলপাড়া এবং ঘুমধুম নয়াপাড়া, পূর্বপাড়া ও মাধ্যমপাড়ার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ১ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সুমন ও সৈয়দ নুর জানান, টানা কয়েক দিনের গোলাগুলি ও মর্টার শেলের বিস্ফোরণে জনজীবন বিপর্যস্ত। প্রাণের ভয়ে তারা অনেকেই উখিয়ায় আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করবেন।

উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কারণে সোমবার বিকেল থেকেই বাইশ পারি তঞ্চঙ্গ্যাপাড়া (২০ পরিবার), ভাজাবনিয়া তঞ্চঙ্গ্যাপাড়া (৩০ পরিবার), তুমব্রু কোনাপাড়া (৩০ পরিবার), ঘুমধুম পূর্বপাড়া (২০ পরিবার) এবং তুমব্রু হিন্দুপাড়ার (১০ পরিবার) বাসিন্দারা কক্সবাজারের উখিয়া, মরিচ্যা ও কোটবাড়ির বিভিন্ন আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, গত পাঁচ-ছয় দিন ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অব্যাহত গোলাগুলির শব্দে সীমান্তবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় বাসিন্দাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।