রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

ম্যানচেস্টারে আমেরিকান খাবারের জয়জয়কার: পিজ্জা-স্যান্ডউইচের নতুন কেন্দ্রবিন্দু

4 মাস আগে | আপডেট: 4 দিন আগে | লাইফস্টাইল
ম্যানচেস্টারে আমেরিকান খাবারের জয়জয়কার: পিজ্জা-স্যান্ডউইচের নতুন কেন্দ্রবিন্দু

ম্যানচেস্টারের মানুষের কাছে এখন আমেরিকান পিজ্জা ও স্যান্ডউইচ দারুণ জনপ্রিয়। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে নতুন উদ্যোক্তারা এই খাবারের বিপ্লব ঘটিয়েছেন, যা শহরটিকে এখন আমেরিকার স্বাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার শহর এখন যেন আমেরিকার খাবারের এক নতুন ঠিকানা। ফিলি চিজস্টেক থেকে শুরু করে নিউ ইয়র্ক স্টাইলের ক্রাঞ্চি পিজ্জা—সবকিছুরই দারুণ জনপ্রিয়তা বাড়ছে শহরটিতে। ম্যানচেস্টার এখন অনেকটা ‘ইউনাইটেড স্টেটস অফ ম্যানকুনিয়া’র রূপ নিয়েছে।

এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে ‘ফ্যাট প্যাট’স’-এর মতো প্রতিষ্ঠান। চায়নাটাউনের একটি ছোট দোকান থেকে শুরু করে মাত্র তিন বছরে তারা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রতিদিন ভোরে তাদের তৈরি ফ্রেশ সেমোলিনা মিল্ক রোলের স্যান্ডউইচ খেতে এখন ভ্লগার ও স্থানীয়দের উপচে পড়া ভিড় থাকে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তারা এখন লন্ডনেও ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে।

পরিসংখ্যান বলছে, রেস্তোরাঁ ও আতিথেয়তা খাতে ম্যানচেস্টারের মানুষ এখন লন্ডনের চেয়েও বেশি খরচ করতে আগ্রহী। ম্যানচেস্টারের বাসিন্দাদের কিছুটা কর্কশ অথচ বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব নিউ ইয়র্কারদের সঙ্গে মিলে যায়, যা এই ধরনের আমেরিকান ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ ফুড কালচার জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ।

আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এই উদ্যোক্তাদের অনেকেই কখনো আমেরিকায় যাননি। ইউটিউব টিউটোরিয়াল বা অনলাইন রেসিপি অনুসরণ করেই তারা এই খাবারের স্বাদ তৈরি করছেন। ‘ম্যাককাউন’স স্লাইসেস’ বা ‘বাডা বিং’-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেটের সহায়তায় আমেরিকান স্বাদের এই বিপ্লব ঘটিয়েছে।

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে অনেক উদ্যোক্তাই তাদের রেসিপি গোপন রাখছেন। কেউ মসলা আমদানিতে রাখছেন সতর্কতা, কেউ আবার পরিবারের বাইরের কাউকে রেসিপি জানান না। ‘ফ্যাট প্যাট’স’-এর আনিশ চৌহান জানান, মানুষ এখন এই খাবারকে কেবল আমেরিকান হিসেবে নয়, বরং এক ধরনের তৃপ্তিদায়ক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছে। টিকটক আর সাশ্রয়ী মূল্যের সমন্বয়ে ম্যানচেস্টার এখন আমেরিকান স্বাদের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।