বইমেলায় ভিড় থাকলেও কেনাবেচায় ধীরগতি
বইমেলায় শুক্রবারের ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেলেও সেই তুলনায় বই বিক্রির হার ছিল তুলনামূলক কম।
অমর একুশে বইমেলা ঘিরে লেখক ও পাঠকদের মাঝে যে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা মেলা প্রাঙ্গণকে মুখর করে তুলেছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ছুটির দিনে মেলায় জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো, তবে ভিড়ের তুলনায় বই কেনার হার ছিল কিছুটা কম।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় বেলা বাড়ার সাথে সাথে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পাঠকদের একটি বড় অংশ বইয়ের স্টলগুলো ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ সময় কাটাচ্ছেন আড্ডায়। স্টল মালিকদের ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত বই বিক্রির পরিমাণ আশানুরূপ নয়। তবে তাদের প্রত্যাশা, সন্ধ্যার পর থেকে ক্রেতাদের ভিড় বাড়বে এবং বিক্রির গতিও বৃদ্ধি পাবে।
মেলায় নিয়মিত আসা ইডেন মহিলা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার লিমা জানান, এবারের মেলার বিন্যাস ও সাজসজ্জা গতবারের তুলনায় অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক। নিয়মিত মেলার পরিবেশ উপভোগ করতে তিনি প্রতিদিনই আসার চেষ্টা করেন।
শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ শিশুপ্রহরের বিশেষ আয়োজন করেছিল। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে শিশুরা সিসিমপুরের চরিত্রগুলোর সরাসরি পরিবেশনা উপভোগ করে। পাশাপাশি চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিশু-কিশোররা আনন্দঘন সময় কাটিয়েছে।
সকাল থেকেই শিশু চত্বরে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে মেলায় এসেছেন। মোহাম্মদপুর থেকে আসা প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসাইবা আজাদ তার বাবার সাথে মেলায় এসে সিসিমপুরের জনপ্রিয় চরিত্র ‘হালুম’-কে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিএখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।