রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন

2 বছর আগে | আপডেট: 1 দিন আগে | জাতীয়
শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হকে যথাযথ মর্যাদায় শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঘাঁটির কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঘাঁটি এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে এম শফিউল আজমসহ ঘাঁটির ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা, বিমানসেনা এবং অন্যান্য পদবির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় শহীদ হন সার্জেন্ট জহুরুল হক। তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তান সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায় এবং পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলাটি ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’ নামে নথিভুক্ত হয়।

উক্ত মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক নম্বর এবং সার্জেন্ট জহুরুল হক ১৭ নম্বর আসামি ছিলেন। পরে তাকে এয়ারফোর্স অ্যাক্টের অধীনে ঢাকা সেনানিবাসে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চাপে আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বাতিল করতে বাধ্য হলেও, ১৫ ফেব্রুয়ারি ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে তিনি প্রাণ হারান।

দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অনবদ্য অবদানের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রাবাসের নাম ‘সার্জেন্ট জহুরুল হক হল’ রাখা হয়েছে। এছাড়া ১৯৮২ সালে চট্টগ্রামে বিমানবাহিনী ঘাঁটির নামকরণ করা হয় তার নামানুসারে। ২০১৮ সালে সরকার তাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।