শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

দেশের বাজারে প্রচলিত ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের অস্তিত্ব

1 দিন আগে | আপডেট: 1 ঘন্টা আগে | লাইফস্টাইল
দেশের বাজারে প্রচলিত ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের অস্তিত্ব

দেশের বাজারে প্রচলিত ৩৪টি টুথপেস্টের ওপর দীর্ঘ এক বছরের গবেষণায় ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে এসডো।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান 'এসডো' (এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন) সম্প্রতি এক গবেষণায় জানিয়েছে, দেশের বাজারে সহজলভ্য ৩৪টি টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের মধ্যে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। টানা এক বছর ধরে চলা এই গবেষণার ফলাফল গত রোববার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে 'মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল' ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরি’তে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

তথ্যমতে, দেশে উৎপাদিত ২৫টি টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে, ভারত থেকে আমদানিকৃত ৫টির মধ্যে ১টিতে, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টিতে এবং ভিয়েতনামের ২টি টুথপেস্টের সবকটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। শিশুদের ব্যবহারের জন্য তৈরি ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই এই উপাদানের অস্তিত্ব মিলেছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়।

তবে আশার কথা হলো, জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) ও ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিসহ কিছু টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।