সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে জনরোষ: চাঁদাবাজি ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ

2 ঘন্টা আগে | আপডেট: 19 মিনিট আগে | সারাদেশ
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে জনরোষ: চাঁদাবাজি ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে যুবদল নেতা মোল্লা শাহীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল করেছে স্থানীয়রা। মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

হরিরামপুরে অস্থিরতা: জনরোষের মুখে যুবদল নেতা

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা মোল্লা শাহীনের বিরুদ্ধে। চাঁদাবাজি, ভূমি দখল এবং সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয়রা রাস্তায় নেমেছেন। সোমবার দুপুরে আয়োজিত এক ঝাড়ু মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

অভিযোগের পাহাড়: চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মোল্লা শাহীন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। বিশেষ করে অসহায় মানুষের জমি দখল এবং ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করা তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ তার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই তারা ঝাড়ু মিছিলের মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।

মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ ও রহস্য

মিছিলটি যখন পদ্মা নদীর ঘাট অভিমুখে যাচ্ছিল, তখন হঠাৎ বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা সরাসরি মোল্লা শাহীন ও তার অনুসারীদের এই ঘটনার জন্য দায়ী করছেন। তাদের অভিযোগ, আন্দোলনকে ভণ্ডুল করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে পরিকল্পিতভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য ও পরবর্তী করণীয়

ঘটনার পর হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, তারা শব্দ পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এটিকে ককটেল বিস্ফোরণ বলতে নারাজ। পুলিশের দাবি, এটি ছোট আকারের চকলেট পটকা হতে পারে এবং ঘটনাস্থলের কাছেই কিছু পরিত্যক্ত পটকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা পুলিশের এই ভাষ্যে সন্তুষ্ট নন। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের সৃষ্টি করেছে, যেখানে দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।