শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

শেরপুরে মহারশি নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি

2 সপ্তাহ আগে | আপডেট: 6 দিন আগে | সারাদেশ

Administrator

শেরপুরে মহারশি নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি

তিনটি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় শেরপুরের মহারশি নদীর বাঁধ ভাঙন জনিত বন্যা সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান আনা হবে বলে ঘোষণা করেছেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

ঝিনাইগাতী উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য সোমবার দুপুরে শেরপুর পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। সেখানে প্রশাসকদের সাথে যোগাযোগকালে তিনি নদীর ভাঙন থেকে উদ্ভূত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় একটি সমন্বিত পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তিনি জানান যে মহারশি নদীর বাঁধ ভেঙে সৃষ্ট বন্যা সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নিশ্চিত করতে তিনটি মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করবে।

"পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই সমস্যার স্থায়ী নিরসন করা হবে," ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী তার পরিদর্শনের সময় হলদীগ্রাম, বহুরাতুলি ও জামতলী এলাকায় নির্মাণাধীন এবং সম্পন্ন কনক্রিট রাস্তার প্রকল্পগুলো পরীক্ষা করেন। এই সড়ক নির্মাণ কর্মসূচি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

প্রকল্প সম্পাদনের আর্থিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি সৎভাবে মন্তব্য করেন, "আমাদের অনেক কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে, কিন্তু বাজেটের সীমাবদ্ধতা আমাদের হাত-পা বেঁধে দিয়েছে। নির্ধারিত অর্থ দিয়ে সর্বোচ্চ কাজ সম্পাদনের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দেশে এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার কর্মরত যা আপনাদের সমস্যাসমূহ সম্পর্কে সচেতন এবং তার সমাধানে কাজ করছে। চলতি বছর বিশেষ কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব নাও হতে পারে, তবে আগামী বছরে আমরা উল্লেখযোগ্য প্রগতি দেখতে পারব বলে আমি আশাবাদী।"

এই সফরে শেরপুর-৩ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমীন, শেরপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার, প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।