শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

যশোরে কুপিয়ে হত্যা: ৮ মামলার আসামি নিহত, একজন গ্রেফতার

3 সপ্তাহ আগে | আপডেট: 1 সপ্তাহ আগে | সারাদেশ

Administrator

যশোরে কুপিয়ে হত্যা: ৮ মামলার আসামি নিহত, একজন গ্রেফতার

যশোরে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে যার বিরুদ্ধে আটটি মামলা ছিল; পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

যশোরের বারান্দীপাড়া এলাকায় বুধবার রাতের একটি হামলায় শরিফুল ইসলাম জিতু নামে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি আটটি মামলায় আসামি ছিলেন। রাত ১১টার দিকে ফুলতলা মোড়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে পথেই তার জীবনীশক্তি নিভে যায়। পুলিশ তদন্তে সুমন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

মোল্লাপাড়া থেকে সিরাজুল ইসলামের পুত্র ছিলেন নিহত জিতু।

ঘটনার বিস্তারিত জানা যায় যে রাত ১১টার দিকে ফুলতলা মোড়ে অপরিচিত দুর্বৃত্তরা জিতুকে কুপিয়ে আহত করে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায়। এলাকার মানুষ জরুরি সেবা ৯৯৯-তে খবর দিলে কোতোয়ালি পুলিশ ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় একই রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। নড়াইলে পৌঁছানোর পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃতদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন যে জিতু সংক্রান্ত আটটি মামলা স্থানীয় থানায় নিবন্ধিত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে যে পুরাতন বিদ্বেষবশতঃ এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সম্ভাব্য অপরাধীর তালিকায় সুমন মিয়া নামের ব্যক্তি রয়েছেন এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরও উল্লেখ করেছেন যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পত্নীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার সাথে সম্পর্কিত একটি অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। এই প্রসঙ্গেই জিতু কুপিয়ে আহত হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সম্পূর্ণ ঘটনার বিষয়ে গভীর তদন্ত চলছে।

ঘটনায় দুঃসংবাদপ্রাপ্ত পিতা সিরাজুল ইসলাম বর্ণনা করেন, 'এলাকার মানুষের মুখে খবর শুনে আমি দ্রুত হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলাম। উন্নত স্বাস্থ্যসেবার আশায় আমরা তাকে ঢাকার দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার শেষ নিঃশ্বাস হয়ে যায়।'

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ প্রধান ডাক্তার কাজী মাসুম রেজা জানান যে নিহত ব্যক্তি মধ্যরাতের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছিলেন। স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটায় তাকে রাজধানীতে উচ্চতর চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান জানিয়েছেন যে ঘটনা সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক মামলা এখন পর্যন্ত দায়েরপ্রাপ্ত হয়নি। চলমান তদন্তের সমাপ্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উন্মোচিত হবে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।