শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

তনু হত্যা মামলায় দুই সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ সংগ্রহের অনুমোদন

3 সপ্তাহ আগে | আপডেট: 1 দিন আগে | সারাদেশ

Administrator

তনু হত্যা মামলায় দুই সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ সংগ্রহের অনুমোদন

দীর্ঘস্থায়ী তনু হত্যা মামলায় আদালত নতুন তদন্ত পদক্ষেপ অনুমোদন করেছে। প্রধান আরোপিতদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

সোহাগী জাহান তনুর দীর্ঘস্থায়ী মামলা তদন্তে আদালত গুরুত্বপূর্ণ অনুমতি প্রদান করেছেন। দুই জন সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর কাছ থেকে বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহের নির্দেশনা জারি করেছেন বিচার বিভাগ।

পিবিআই ঢাকার পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম গত ২১ জুলাই এ অগ্রগতির খবর জানান। তিনি প্রকাশ করেন যে কুমিল্লার সিনিয়র বিচারক মুমিনুল হক এই মামলার তদন্তকে এগিয়ে নিতে ১৭ জুলাই এই পদক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।

তদন্তকর্মীর আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক মুমিনুল হক এই নির্দেশ জারি করেছেন। বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে মামলার সমাধান ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রথম সন্দেহভাজন জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ জেলার মেঘাই গ্রামে বসবাসকারী সোলায়মান হোসেনের পুত্র। দ্বিতীয় সন্দেহভাজন ফয়সাল আহমেদ রাব্বী কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষীনগর বাসী এম এ হান্নানের সন্তান।

এই দুইজনের আগে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সাবেক সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমানে শুধু ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিরুদ্ধ রয়েছেন।

মামলার প্রধান আরোপিত দুজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার মাধ্যমে রেড নোটিশ প্রচার করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামানের বর্তমান অবস্থান এখনও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। অপরপক্ষে সাবেক সৈনিক শাহিন আলম কুয়েতে রয়েছেন এমন তথ্য সংগ্রহ করেছে তদন্ত দল।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী এবং নাটক অভিনেত্রী সোহাগী জাহান তনু প্রাইভেট পাঠদানের কাজে বের হয়ে হারিয়ে যান। সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের পাওয়ার স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তার শব পরবর্তীকালে পাওয়া যায়। এক দশকের অধিক সময় অতিক্রম করেও এই মামলার তদন্ত সক্রিয় রয়েছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।