খুলনার বড় হারে সমাপ্তি, রানে ফেরার ম্যাচে শান্ত-রাব্বির লড়াই
বিপিএলের আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে খুলনা টাইগার্স। তবে ম্যাচটিতে আফিফ হোসেন, ইয়াসির আলী রাব্বি ও নাজমুল হোসেন শান্তর রানে ফেরা ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
বিপিএলের চলতি আসরের শেষ দিকে এসে সিলেট স্ট্রাইকার্স ও খুলনা টাইগার্সের মধ্যকার লড়াইটি ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতার। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্লে-অফের সমীকরণ আগেই নির্ধারিত হয়ে যাওয়ায় এই ম্যাচে দর্শকদের তেমন আগ্রহ ছিল না। নিষ্প্রভ এই ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্স ৬ উইকেটের জয় নিয়ে আসর শেষ করেছে।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খুলনা টাইগার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১২৮ রানের পুঁজি গড়ে। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেট দুই ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। লো-স্কোরিং এই ম্যাচে বল হাতে তেমন উত্তাপ না থাকলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছিল স্বস্তির সুর।
খুলনার হয়ে আফিফ হোসেন অবশেষে নিজের চেনা ছন্দে ফিরেছেন। ৩৫ বলে ৫২ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা। পুরো আসরে বিবর্ণ থাকা আফিফ ১২ ম্যাচে মোট ২৭৮ রান সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে, ইয়াসির আলী রাব্বিও রানে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। দীর্ঘ সময় দলের বাইরে থাকা রাব্বি ৪৩ বলে ৪৬ রান করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
সিলেটের হয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও রানে ফেরার চেষ্টা করেছেন। এবারের বিপিএলে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারা শান্ত শেষ ম্যাচে ৩৯ রান করেন। এটিই ছিল ম্যাচে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। পুরো টুর্নামেন্টে শান্তর ব্যাট থেকে কোনো ছক্কা না আসাটা ছিল বড় আক্ষেপের বিষয়।
বিপিএলের শুরুর দিকে টানা পাঁচ ম্যাচ হেরে কোণঠাসা হয়ে পড়া সিলেট শেষ পর্যন্ত ছন্দ ফিরে পেয়েছে। শেষ সাত ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় তুলে নিয়ে তারা টুর্নামেন্ট শেষ করল। বিপরীতে, খুলনা টাইগার্স প্রথম চার ম্যাচে দারুণ খেললেও শেষ আট ম্যাচে মাত্র একটি জয়ে প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে যায়। এবার প্লে-অফে লড়বে রংপুর রাইডার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ফরচুন বরিশাল।
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিএখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।