বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

সরকার গণভোট বিতর্কে সংকট বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা গভীর

1 মাস আগে | আপডেট: 4 ঘন্টা আগে | রাজনীতি

Administrator

সরকার গণভোট বিতর্কে সংকট বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা গভীর

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, তাদের দল একটি "ছায়া মন্ত্রিসভা" প্রস্তুত করেছে এবং গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থার জন্য সরকারকে দায়ী করেছেন। তিনি সংসদে বিরোধী দলের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ না দেওয়ারও সমালোচনা করেন।

সর্বশেষ সব খবরের জন্য দৈনিক খবর সংযোগের গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, তাদের দল একটি “ছায়া মন্ত্রিসভা” প্রস্তুত করেছে, যা যেকোনো সময় প্রকাশ করা হতে পারে।

তিনি বলেন, এটির কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি না থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এমন কাঠামো রয়েছে এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক বিকল্প রাজনৈতিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এটি গড়ে তোলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সংসদকে কেবল বিনোদন বা আনুষ্ঠানিকতার জায়গা নয়, বরং জনগণের সমস্যা সমাধানের দায়িত্বশীল মঞ্চ হিসেবে দেখতে চায় তার দল। তার দাবি, দেশে একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর সংসদ প্রয়োজন, যেখানে জনগণের বাস্তব সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা হবে।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তার ভাষায়, গণভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেও সেটিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপিসহ বিভিন্ন দল গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও রাজনৈতিক কারণে বিষয়টি কার্যকর হয়নি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবিধানিক বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও অতীত নির্বাচন প্রক্রিয়ার উদাহরণ টেনে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা ব্যাখ্যা করা যায়।

তিনি সংসদের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করে বলেন, বিরোধী দলের জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ নিশ্চিত করা হয়নি, ফলে সংসদে মতপ্রকাশে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে দুর্বল করছে।

সরকারি দলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, দায়িত্বহীন বক্তব্য ও রাজনৈতিক উত্তেজনা দেশের ভেতরে অস্থিরতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়াতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সরকার কিছু অধ্যাদেশ বাতিল করলেও জনগণের সংস্কারের ম্যান্ডেটকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজনৈতিক সংলাপ ও সংস্কার প্রক্রিয়া দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে পারে। তবে তা ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য নীতি

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।