নির্বাচন আইন সংস্কারে জামায়াতের দাবি নিয়ে ইসির আলোচনা সভা
Administrator
জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের সাথে স্থানীয় নির্বাচনের আইন-বিধি সংস্কার এবং নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠকে গাজী নজরুল ইসলামের বহিষ্কার এবং দলীয় পক্ষপাত সংক্রান্ত বিষয়গুলিও উঠেছে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় আইন-বিধির সংস্কার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের সাথে সাক্ষাৎ করেছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচনের নতুন আইন ও নিয়মকানুন সম্পর্কে সুপারিশ ছিল প্রধান বিষয়বস্তু। এর পাশাপাশি সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়টিও আলোচনায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন সহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির সচিবসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মচারী সভায় অংশ নিয়েছেন।
জামায়াতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য এবং আইনজীবী জসিম উদ্দীন সরকার ও এডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির।
জামায়াতের মিডিয়া বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই সভার তথ্য জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের কাছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা দেওয়ার প্রস্তাব আছে। একই সাথে স্থানীয় সরকারের আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করণের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে এই আচরণবিধিতে নিরপেক্ষ স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামীগ সমর্থকদের অংশগ্রহণ রোধের বিষয়সহ বেশ কয়েকটি লিখিত প্রস্তাব যোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা-৪ এলাকার সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এক নারীর সাথে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। এই কারণেই তার দল জামায়াতে ইসলামী তাকে সংগঠন থেকে বের করে দেয়।
গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে সদস্যপদ বাতিল করলেও তার সংসদ সদস্যপদ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের কোন দায়িত্ব নেই বলে ইসি সদস্য আব্দুর রহমানেল মাছউদ অবস্থান জানিয়েছেন।
এই ব্যাপারে দলটি নির্বাচন কমিশন এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি পাঠিয়েছে।
আরও একটি বিষয়ে জামায়াত কঠোর আপত্তি জানিয়েছে - নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একজন সাবেক কর্মকর্তা তার দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত সচিবের পদে নিয়োগ পেয়েছেন।
বুধবারের এই আলোচনা সভায় এসব বিষয় সম্পূর্ণভাবে আলোচিত হবে বলে জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন।
অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সমাপ্ত করতে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিএখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।