শেয়ারবাজারে নতুন সিদ্ধান্ত: আরও ২৩ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নিল বিএসইসি
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আরও ২৩টি কোম্পানির শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নিল বিএসইসি। এখন মাত্র ১২টি কোম্পানি এই বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছে।
শেয়ারবাজারে ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন দরসীমার বেড়াজালে আটকে থাকা ৩৫টি কোম্পানির মধ্যে নতুন করে আরও ২৩টির ওপর থেকে এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে মাত্র ১২টি কোম্পানির শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকল।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম সোমবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি ৩৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড বাদে বাকিগুলোর ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়েছিল। দুই কার্যদিবসের ব্যবধানে আরও ২৩টি কোম্পানিকে এই তালিকার বাইরে আনা হলো। বর্তমানে যে ১২টি কোম্পানির ওপর ফ্লোর প্রাইস রয়ে গেছে সেগুলো হলো: আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বিএটিবিসি, বেক্সিমকো, বিএসআরএম, গ্রামীণফোন, ইসলামী ব্যাংক, কেপিসিএল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, অরিয়ন ফার্মা, রেনাটা, রবি ও সাইনপুকুর সিরামিক।
বিএসইসির মুখপাত্র জানান, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক গতি ফেরানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এখন থেকে স্বাভাবিক সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হবে। বাকি ১২টির বিষয়ে পরিস্থিতির আলোকে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। শেয়ারবাজারে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা ঠেকাতে ২০২০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিএসইসি ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে আসছিল।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ২০২০ সালের ১৯ মার্চ প্রথমবারের মতো ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়, যা ২০২১ সালের ১৭ জুলাই তুলে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই দ্বিতীয় দফায় সব শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস দেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে আংশিক প্রত্যাহার ও পুনরায় আরোপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে।
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিএখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।